আপনি কি আপনার দম বন্ধ করে রাখতে পারেন? কতক্ষন পারেন?
২
মিঃ , ৫ মিঃ, ৭ মিঃ তার বেশি কি সম্ভব? চেষ্টা করলে হয়তো আরো একটু বেশি হবে?
কিন্তু এরপর আর সম্ভব নয়, কারন জোর করে ব্রেনে খুব বেশিক্ষন অক্সিজেন সাপ্লাই বন্ধ
রাখলে,
ব্রেন সেল ডেথ হয়, আল্টিমেটাম আপনি মৃত্যু বা কোমাতে চলে যেতে পারেন !!
আমাদের নার্ভাস সিস্টেমের কিছু খেল আছে, কিছু জিনিস আপ্নি
চাইলেই কন্ট্রোল করতে পারেন,
আর কিছু কে পারেন না, মানে যেমন হাত পায়ের মুভমেন্ট
আপনার ইচ্ছাধীন, কিন্তু হার্টের মুভমেন্ট (বিট) আপনার ইচ্ছাধীন নয়।
তাহলে কি সত্যিই আপনার হার্ট আপনার কন্ট্রোলে নয়? মানে
ইচ্ছা করলেন আপনি হার্ট কে মিনিট দুয়েক বন্ধ করে রাখবেন, পারবেন?
এই অবধি পড়ার পর ভালো করে চিন্তা করে নিন, এর উত্তর কি হবে?
হ্যা অথবা না।
তবে ফিজিওলজি(মেডিক্যাল সায়েন্স) বলে, এটা সম্ভব নয় ।কারনটা
উপরেই উল্লেখ করলাম ।
কিন্তু বাস্তব কি বলে?
যদি বলি আমি পারি...
আমার হার্টকে ৩০...৪০...৫০ মিঃ বন্ধ
করে রাখতে।(খোদার উপর খোদগারী)
তাহলে সবাই, আমাকে বলবেন ব্যাটা ফাগল!!
আমার হাত-পা বেধে
অ্যাসাইলামে পাঠানোর ব্যাবস্থা করবেন... তাই না !!
কিছু মানুষ আছেন যারা কিনা যোগী, সন্যাসী, ফকির এরা...
নাওয়া, খাওয়া ছেড়ে, প্রকৃতির ডাকে সাড়া না দিয়ে, দম বন্ধ করে, হৃদগতি পুরোপুরি
বন্ধ রেখে বেশ কিছু দিন (৬ সপ্তাহ) থকতে পারেন, এটাকে বলে ন্যাচারাল suspended animation.
আবিশ্বাস্য
তাইনা ? এও আবার হয় নাকি?
হুম আপনি যেমন ভাবছেন,
অনেকে সেরকমই ভেবেছেন…
কিন্তু
রাজা রনজিৎ সিং এর আমলে এক ফকির যে কিনা পাহাড়ে থাকতেন তিনি এরকম ঘটনা ঘটিয়েছিলেন,
তিনি মাসাধিক কবরের মধ্যে ছিলেন, তাকে যখন কবর থেকে তোলা হল তখনও তিনি জীবিত ছিলেন।
- রাজা রনজিৎ সিং এরম একটা ঘটনা শুনেছিলেন, তিনি ঘটনা পেমান করার জন্য নিজে কয়েক জন
সাক্ষীর সামনে ফকির কে আদেশ দিলেন প্রমান করার জন্য সে ফকির উতরে গেলেন সে পরীক্ষায়
। তাকে কবর দেওয়া হয়েছিল রাজার মনোনীত জায়গায়।
একদল এটাকে ভন্ডামী বলে। তারা বলে চর্চা করে কিছু মানুষ,
তাদের হার্ট বিট ও হার্ট সাউন্ড কে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারে, যা কিনা
ম্যানুয়্যালী বা স্টেথো দিয়ে দেখে পাওয়া সম্ভব নয়, তারা এতটাই হার্ট কে কন্ট্রোল
করতে পারেন।
সত্যি কি ভন্ডামী?
দেখাযাক... !!
৬০-৬১ বছর বয়স্ক যোগী সত্যমূর্তী নিজেকে suspended animation
এ নিয়ে গিয়েছিলেন, তাকে ১.৫ মিটার গভীর গর্তে কবর দেওয়া হয়েছিলো।এই
গর্তটাকে পুরোটাই সিল করা হয়েছিলো ইট ও সিমেন্ট দিয়ে। এটা কনডাক্ট করেছিলেন একটা মেডিক্যাল
টিম(Rabindinath Tagore Medical Colledge & Hospital;
Udapur India)।
যোগী সত্যমূর্তীর ECG করার ব্যবস্থাও ছিলো। ২য় দিনে ECG তে দেখা যায় তার tachycardia
ডেভেলপ করে। তারপর সবাই কে অবাক করে তিনি নিজেকে মৃত্যুর জায়গায় নিয়ে যান।
অর্থাৎ ECG দেখা যায় একটা স্ট্রেট লাইন, অর্থাৎ হার্ট থেকে আর কোনো ইলেকট্রিক সিগন্যাল
আসছে না।
তারপরে ১৯৭১ সালের পর ফরেনসিক মেডিসিন স্বীকার করে নেন , এর সত্যতা।
No comments:
Post a Comment