‘ডেড সি’! নাম ডেড সি হলেও এটা
কিন্তু মোটেও কোনো সি বা সাগর নয়।
‘মৃত সাগর’ নাম হলেও এটা আসলে একটা হ্রদ। ভয়ঙ্কর নাম!
আসলে কিন্তু এটা মোটেও কোনো ভয়ঙ্কর জায়গা নয়।
এই ডেড সি’র জল যথেষ্ট পরিমাণ ঘন। এর জল ভীষণ নোনা।
সাগরের নোনা জল এর জলের তুলনায় কিছুই নয়।
এখানকার জলের লবণাক্ততা সাগরের জলের তুলনায় ৮.৬ গুণ বেশি! এই বিশাল হ্রদে তাই কোনো গাছপালা ও মাছ নেই!
কারণ এত ঘন জলে কিছুই বাঁচতে পারে না।
আর তাই এই হ্রদকে বলা হয় ‘ডেড সি’ বা ‘মৃত সাগর’।
তবে মাছ নেই বলে যে হ্রদে কোনো জীবন্ত প্রাণীই নেই, তা কিন্তু নয়! এই হ্রদে আছে নানা রকমের ব্যাক্টেরিয়া আর ছত্রাক। আর কিচ্ছুটি নেই। এই হ্রদটি কিন্তু মোটেও বিষাক্ত নয়।
আসলে এখানে কোনো প্রাণী নেই এর জলের লবণাক্ততার জন্য।
‘মৃত সাগর’ নাম হলেও এটা আসলে একটা হ্রদ। ভয়ঙ্কর নাম!
আসলে কিন্তু এটা মোটেও কোনো ভয়ঙ্কর জায়গা নয়।
এই ডেড সি’র জল যথেষ্ট পরিমাণ ঘন। এর জল ভীষণ নোনা।
সাগরের নোনা জল এর জলের তুলনায় কিছুই নয়।
এখানকার জলের লবণাক্ততা সাগরের জলের তুলনায় ৮.৬ গুণ বেশি! এই বিশাল হ্রদে তাই কোনো গাছপালা ও মাছ নেই!
কারণ এত ঘন জলে কিছুই বাঁচতে পারে না।
আর তাই এই হ্রদকে বলা হয় ‘ডেড সি’ বা ‘মৃত সাগর’।
তবে মাছ নেই বলে যে হ্রদে কোনো জীবন্ত প্রাণীই নেই, তা কিন্তু নয়! এই হ্রদে আছে নানা রকমের ব্যাক্টেরিয়া আর ছত্রাক। আর কিচ্ছুটি নেই। এই হ্রদটি কিন্তু মোটেও বিষাক্ত নয়।
আসলে এখানে কোনো প্রাণী নেই এর জলের লবণাক্ততার জন্য।
No comments:
Post a Comment